
যুগভেরী ডেস্ক ::: জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা’র সদস্য ও সিলেট মহানগর নায়েবে আমীর মাও. মিফতাহ উদ্দিন বলেছেন, ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠনের প্রাণশক্তি হলো নির্ভেজাল আনুগত্য, পারস্পরিক পরমার্শের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা, সংশোধনের উদ্দেশ্যে গঠনমূলক সমালোচনা। আনুগত্যের ভিত্তি হলো ঈমান। যার ঈমান যত বেশি পরিচ্ছন্ন এবং নির্ভেজাল তার আনুগত্য তত বেশি পরিচ্ছন্ন এবং নির্ভেজাল। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়ার সুযোগ দিলে আনুগত্যের সুন্দর স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশ তৈরি হয়। জনশক্তির মাঝে দায়িত্বানুভূতি বৃদ্ধি পায়। সংশোধন ও উন্নয়নের জন্য গঠনমূলক সমালোচনা হচ্ছে ইহতিসাব। তিনি বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা, পরামর্শ ও আনুগত্য ঐক্যকে সুসংহত করে।
তিনি সোমবার রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগরীর উলামা বিভাগ আয়োজিত কর্মী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির আলোচনায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উলামা বিভাগের আমীর ড. মাও. এ এইচ এম সোলায়মানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাও. মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ারের পরিচালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা পেশ করেন মহানগর সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাও. আব্দুস সালাম আল-মাদানী। শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য পেশ করেন উলামা বিভাগের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাও. ফখরুল ইসলাম। দারসুল কুরআন পেশ করেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাদ্দিস মাও. মো. হাবীবুল্লাহ।
উপস্থিত ছিলেন উলামা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি হাফিজ মাও. মাহবুবুর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য মাও. খলীলুর রহমান, মাও. আব্দুশ শহীদ, মাও. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও হাফিজ মাও. জিল্লুর রহমান।
প্রধান আলোচক মুহাম্মদ শাহজাহান আলী বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মূল ভিশন হলো পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে একটি কল্যাণমূলক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ ‘নতুন বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে। সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতার অনন্য গুণে গুণান্বিত হতে হবে। দেশ, মানবতা ও ইসলামের জন্য নিবেদিত হয়ে দায়িত্ব পালন অপরিহার্য। ধৈর্য্য, প্রজ্ঞা ও সাহসী মানসিকতা লালন করে অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত রাখতে হবে।
সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন