এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

ধামাইল নৃত্যে ঝড় তুললেন সুনামগঞ্জের পৃথা দেব

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, ২০২৫
ধামাইল নৃত্যে ঝড় তুললেন সুনামগঞ্জের পৃথা দেব

যুগভেরী রিপোর্ট
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন তুমুল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সুনামগঞ্জের কন্যা পৃথা দেব। সম্প্রতি মিশিগানে অনুষ্ঠিত এক সাংস্কৃতিক আসরে “আমি যাইতাম নাগো প্রাণ বন্ধুরে ছাড়িয়া” গানটির সাথে তিনি ও তার দল পরিবেশন করেন ধামাইল নৃত্য। প্রবাসীদের প্রাণের মঞ্চ থেকে উঠে আসা এই পরিবেশনা, এর সঙ্গে আরও কয়েকটি পরিবেশনা নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছে।

ভিডিওগুলো প্রকাশের পর তা ফেসবুকের দেয়াল জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই “আমি যাইতাম নাগো প্রাণ বন্ধুরে ছাড়িয়া” ধামাইলটি ১০ লাখ (১ মিলিয়ন) ভিউ অতিক্রম করেছে। ভক্তদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ভিডিওর মন্তব্য বিভাগ উষ্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই ৪২,০২১ জন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, ৩৫৫ জন মন্তব্য করেছেন, ৭৯৪ বার শেয়ার হয়েছে, এবং ৭০৩ জন ভিডিওটি নিজেদের সংগ্রহে সেভ করে রেখেছেন।

ভাইরাল এসব পরিবেশনার মূল আকর্ষণ ছিলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী পৃথা দেব। লাল রঙের জামার ওপর সাদা নকশা, হাসিমাখা মুখ আর প্রাণবন্ত ভঙ্গিমায় তাঁর নৃত্য দর্শকদের যেন মোহাবিষ্ট করে তুলেছে। ভাইরাল এসব গানের সুর ও ছন্দের সঙ্গে শরীরভঙ্গি, হাতের অঙ্গভঙ্গি, পায়ের ছন্দের এমন নিখুঁত সমন্বয় ভক্তদের মুগ্ধতার আবেশে ভাসিয়ে নিয়েছে। ভিডিও গুলোর নিচে ভক্তদের প্রশংসার জোয়ার এখনো অব্যাহত।

বাংলাদেশি প্রবাসী সমাজে ধামাইল গান ও নৃত্যের আবেদন নতুন কিছু নয়। তবে পৃথা দেবের এই পরিবেশনা শুধু প্রবাসী সমাজেই নয়, নেটদুনিয়ার সীমা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে বিশ্বের নানা প্রান্তের দর্শকের হৃদয়ে। ধামাইলের স্বতন্ত্র আবেগ, লোকজ ছন্দ ও ভালোবাসার আবেশ সবকিছু মিলিয়ে এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক উপহার। যা প্রবাসী সমাজের সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়কে আবারো জাগ্রত করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন