এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

সিলেটে ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন

Daily Jugabheri
প্রকাশিত time ago 15 hours
সিলেটে ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন

যুগভেরী ডেস্ক :::সিলেটে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন, যা চলবে ১৯ মে পর্যন্ত। এ সময়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৬৮ হাজার ৫৫০ জন শিশুকে ১ ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নগরভবনে আয়োজিত এক উদ্বুদ্ধকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, এনজিও কর্মী, ওয়ার্ড সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এ অধিকার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। হাম-রুবেলা প্রতিরোধে এই টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।”

তিনি আরও বলেন, “আজকের শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। হাম ও রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সময়মতো টিকা প্রদান অত্যন্ত জরুরি। তাই এই ক্যাম্পেইনকে সর্বাত্মকভাবে সফল করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

সিসিক প্রশাসক জনসাধারণকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “অনেক সময় সচেতনতার অভাবে শিশুরা টিকা থেকে বঞ্চিত হয়। এ বিষয়ে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ে কোনো শিশুই টিকা গ্রহণ থেকে বাদ না পড়ে।”

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর। এছাড়া বক্তব্য দেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম ও ডা. ফজলুল কাদের।

ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ২০ এপ্রিল থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। পূর্বে টিকা গ্রহণ করে থাকলেও কিংবা হাম বা রুবেলায় আক্রান্ত হয়ে থাকলেও এই বয়সসীমার সব শিশুকে ক্যাম্পেইন চলাকালে ১ ডোজ এমআর টিকা নিতে হবে।

তিনি আরও জানান, টিকা গ্রহণের জন্য ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে ইপিআই ভ্যাকসিনেশন অ্যাপের (VAXEPI) মাধ্যমে অনলাইন নিবন্ধন করা যাবে। তবে নিবন্ধন ছাড়াও সরাসরি টিকাকেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণ করা সম্ভব।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত টিকাকেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। অন্যদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা শিশুদের বিদ্যমান স্থায়ী ও অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। কোনো কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকা নিতে না পারা শিক্ষার্থীরা নিকটবর্তী যেকোনো টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন