
এম এ মালেক :::
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান পুলিশ কমিশনার এর নির্দেশে সন্ধ্যা ৭ টার ভেতরে দোকানপাট বন্ধ করার কথা থাকলেও দক্ষিণ সুরমার আনাচে কানাচে চলছে চুর পুলিশ খেলা। সন্ধ্যা ৭ টার পর দক্ষিণ সুরমা থানা ও দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাড়ির টহলরত পুলিশ মাইকিং করে দোকানপাট বন্ধ করার কথা বললেও অনেক ব্যবসায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনের বাল্ব নিভিয়ে ভেতরে থাকা বাল্ব জালিয়ে রাত ১১ টা কিংবা মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখছেন।
এ সময়ের ভেতরে পুলিশ উপস্থিত হলে সাটার বন্ধের শব্দ চারিদিক থেকে ভেসে আসে। দক্ষিণ সুরমার বেশিরভাগ ব্যবসায়ীরা আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে সন্ধ্যা ৭ টার ভেতরে দোকানপাট বন্ধ করলেও কদমতলী, হুমায়ুন রশীদ চত্বর, লিংক রোড, জকিগঞ্জ সড়কের দু-প্রান্ত, কদমতলী ওভারব্রীজ, দরিয়াশাহ মাজার সড়ক, ফেরিঘাট রোড, চাদনীঘাট, ভার্থখলা, বাবনা পয়েন্ট, গোটাটিকর, শিববাড়ি, জৈনপুর, মোমিনখলার একাংশ, চন্ডিপুল পয়েন্টের আশপাশসহ অন্যান্য স্থানে চলে চুর পুলিশ খেলা।
কদমতলী, বাবনা, ক্বীনব্রীজ, চাদনীঘাটসহ অন্যান্য স্থানে গড়ে উঠা চুরদের আখড়া ভাংগাড়ি ব্যবসায়ীরা গভীর রাত পর্যন্ত অদৃশ্য শক্তির জোরে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন।
মাঝে মধ্যে পুলিশ ও মোবাইল কোর্ট এসব স্থানে অভিযান চালাতে দেখা যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, তারা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭ টার ভেতরে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেও কয়েকজন ব্যবসায়ী রাজনৈতিক ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে আইন অমান্য করে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন। সচেতন ব্যবসায়ীদের দাবি, যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না রেখে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রদক্ষেপ গ্রহনের আহবান জানান তারা।
সন্ধ্যা ৭ টার পর দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাড়ির নবাগত ইনচার্জ এসআই মফিজুর রহমান বলেন, প্রায় প্রতিদিন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের জরিমানা করা হচ্ছে, কেউ যদি সরকারি আইন মেনে দোকানপাট কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাননীয় পুলিশ কমিশনারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন