
যুগভেরী ডেস্ক ::: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা ছাড়ছে চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষ। ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢল নেমেছে ঘরমুখী মানুষের। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে তিন স্তরের টিকিট চেকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্টেশনে প্রবেশ করছেন দূরপাল্লার সাধারণ যাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, রেলস্টেশনে ঘরমুখী মানুষের চাপ। স্টেশনে প্রবেশের জন্য বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সেই লাইন দিয়ে সারিবদ্ধ হয়েই স্টেশনে ঢুকছেন যাত্রীরা। বিনা টিকিটের যাত্রীরা টিকিট প্রদর্শন না করে প্রথম ধাপ পার হতে পারছেন না। এরপর দ্বিতীয় ধাপে আবারও টিকিট যাচাই করা হচ্ছে। সবশেষ প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে পুনরায় টিকিট প্রদর্শন করে যাত্রীদের প্রবেশ করতে হচ্ছে।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘব করে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। তিন স্তরের টিকিট চেকিং ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে। ঈদযাত্রা এখন পর্যন্ত স্বস্তির।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৩ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ও সড়কে একাধিক গাড়ি দুর্ঘটনা ও যানবাহন বিকল হওয়ায় এই যানজট সৃষ্টি হয়। বুধবার মধ্যরাতে সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়।
চালক ও যাত্রীরা জানান, সড়কে প্রচুর যানজট। মধ্যরাত থেকে এই যানজট শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গগামী লেনের পাকুল্যা থেকে টাঙ্গাইলগামী সড়কে যানজট। ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে রাবনা বাইপাস থেকে সেতু পর্যন্ত ২৩ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ বলেন, সড়কে অনেক যানজট। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত এই যানজট। টোল প্লাজা থেকে এই যানজটের শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী-পুলিশ যৌথভাবে যানজট নিরসনে কাজ করছে। এখন মহাসড়ক স্বাভাবিক হচ্ছে।
সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন