
যুগভেরী ডেস্ক ::: ২০২৫ তরুণ লেখক ও কথাসাহিত্যিক তুলতুল পেলেন কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পেলেন সাউথ এশিয়া গোল্ডেন সিনে স্টার এ্যাওয়ার্ড। তিনি লেখালেখি করে তার মেধা ও দক্ষতার সাথে সমাজে পুরোদস্তুর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন। সামাজিক অসংগতি নিয়ে প্রতিনিয়ত লিখছেন।এতে প্রচুর পাঠক তার লেখনীর ভক্ত হয়ে উঠেছে। এতে তিনি তুমুল আলোচিত সমালোচিত হচ্ছে দারুণ। তিনি একাধারে একজন লেখক. কবি. উপন্যাসিক.গল্পকার. শিশুসাহিত্যিক.নজরুল অনুরাগী.রেডিও অনুষ্ঠান পরিচালক. খবর পাঠিকা/ভয়েস প্রেজেন্টার ও দাবা খেলোয়াড়।বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাতীয় পত্রিকায় লিখছেন ছোটবেলা থেকেই। যেমন. কালের কন্ঠ. প্রথম আলো। বাংলাদেশ প্রতিদিন.ইত্তেফাক.খোলা কাগজ.প্রতিদিনের সংবাদ.এন টিভি অনলাইন. মানবকন্ঠ.আজাদী. পূর্বকোণ. সরকারী পত্রিকা শিশু.নবারুণ সহ অন্যান্য পত্রিকায়। তাছাড়া তিনি এপার বাংলা আর ওপার বাংলা দুই জায়গায় সমান তালে লেখনি দিয়ে আলো ছড়াচ্ছেন। তাকে দুই.বাংলার জনপ্রিয় লেখকও বলা হয়ে থাকে। লিখছেন জার্মানি, সিংগাপুর, অস্ট্রেলিয়ার. প্যারিসের বাংলা পত্রিকাগুলোতেও। অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ১৬ মে ২০২৫ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে বিকেল তিনটায়। এখানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডক্টর জাহাঙ্গীর আলম রুস্তম। (বিশ্ব সেরা কবি ও পরিবেশ বিজ্ঞানী)। উদ্বোধক মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ মিয়াজী (সাবেক সহকারী মহাসচিব বিএফইউজে ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কুমিল্লা) সভাপতি পুষ্পেন রায় (আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্বর্ণপদক প্রাপ্ত কবি ও লেখক এবং উপদেষ্টা সাউথ এশিয়া,সাহিত্য পরিষদ)। শুভেচ্ছা বক্তা গাজী আব্দুল আলীম।(কবি. সাংবাদিক.গীতিকার ও চেয়ারম্যান সুন্দরবন সাহিত্য পরিষদ) স্বাগত বক্তব্য জ্যামবস কাজল (চলচ্চিত্র পরিচালক.লেখক ও সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ)। বিশেষ অতিথি আবুল হোসেন মজুমদার (প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বাবিসাস ও বিনোধন ধারা)। তাছাড়া রয়েছে অনান্য অতিথিজন। এখানে মিডিয়া পার্টনার ছিল৷ মিলিয়ন সিটি. এ টি এন এম সি এল. স্বদেশ বিচিত্রা.দৈনিক ঐশী বাংলা.সুন্দরবন সাংস্কৃতিক পরিষদ। সাউথ এশিয়া গোল্ডেন সিনে স্টার এওয়ার্ড প্রসঙ্গে তুলতুল বলেন. যেকোন অর্জন দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। এটিও তেমন। এই মে মাসে মা দিবস চলছে তাই মা দিবসে এই এ্যাওয়ার্ড আমার মাকে উৎসর্গ করলাম। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ এবং সুন্দরবন সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আজগর হোসেন। তিনি বলেন একটা সফল প্রোগ্রাম করেছি আমরা। সকল ক্ষেত্রে অবদান রাখা প্রত্যেক ব্যক্তিকে সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি। একটি রক্ষনশীল পরিবার থেকে উঠে এসে নিজেকে সাহিত্যিক হিসেবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন তুলতুল। খুব অল্প বয়সেই তিনি দেশ ও দেশের বাইরে তার লেখনি দিয়ে জয় করছেন অজশ্র মানুষের ভালোবাসা। তিনি শুধু কলম সৈনিক নয় বাস্তব জীবনেও তিনি একজন দক্ষ লেখক। তাছাড়া তিনি একজন ফ্যাশন সচেতন লেখক হিসেবেও নিজেকে পরিচিত করেছেন। তিনি দেশীয় জিনিস বেশী পরেন। সাউথ এশিয়া গোল্ডেন সিনে এওয়ার্ড প্রোগ্রামে পরেছেন পিংক গাউনের সাথে মেক্রেমের এর জুয়েলারী যেগুলো আবুজ হান্ডিক্রাফটস পেজ থেকে নেয়া। এই পর্যন্ত তুলতুলের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৬ টি। লেখালেখির জন্য পেয়েছেন অনেক জাতীয় আর আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন