এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

গোলাপগঞ্জে পামওয়েল মিশিয়ে সরিষা তেল তৈরি ! বানানো হচ্ছে ভিনেগারও

Daily Jugabheri
প্রকাশিত time ago 4 hours
গোলাপগঞ্জে পামওয়েল মিশিয়ে সরিষা তেল তৈরি !  বানানো হচ্ছে ভিনেগারও

এম আব্দুল জলিল গোলাপগঞ্জ ::: সিলেটের গোলাপগঞ্জের একটি কলোনিতে দীর্ঘদিন থেকেই কোন সরিষা ও মিশিন ছাড়াই তৈরী হচ্ছে সরিষার তেল। তা আবার বোতলে ভরে প্যাকেট করে বাজারজাতও করা হচ্ছে উপজেলা সহ সিলেটের বিভিন্ন বাজারে। শুধু সরিষার তেলই নয় এই কলোনিতে ভিনেগারও তৈরী হচ্ছে।

কথাগুলো শুনতে অবাক লাগলেও এমনটিই হচ্ছে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের নগর গ্রামের জুনেদ আহমদের কলোনিতে। তার কলোনির দুটি রুম ভাড়া নেন দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামের মৃত শামসুল হকের পুত্র মোঃ নূর আলম ও তার সহযোগী সুনামগঞ্জের সায়েল আহমদ। রুমগুলো ভাড়া নিয়ে তারা দীর্ঘদিন থেকেই নিম্ন মানের পাম অয়েল কিনে এনে তার মধ্যে রঙ মিশিয়ে খাটি সরিষার তেল বলে বাজারজাত করে আসছিলেন।

এমন খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিএস টি আই এর অনুমতি ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এই কলোনিটিতে বিভিন্ন নিম্ন মানের পাম অয়েল সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এসব পাম ওয়েলে রঙ মিশিয়ে ১লিটার ও ২লিটার বোতলে ভরে প্যাকেটিং করে তা বাজারজাতের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। শুধু সরিষার তেলই নয় এই কলোনিতে তৈরী হচ্ছে ভিনেগারও।

কলোনিতে গিয়ে মোঃ নূর আলমকে না পাওয়া গেলেও পাওয়া যায় তার সহযোগী সায়েল আহমদকে। সে নূর আলমের সাথে জড়িত নয় বললেও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সেও এই কাজের সাথে জড়িত। এই কলোনি থেকে তারা সরিষা ও ভিনেগার তৈরী করে দুজনেই বাজারে বিক্রি করে আসছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ নুর আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এসব পণ্য তৈরীতে তার নাকি ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। বিএসটি আই এর অনুমোদন বা লাইসেন্স আছে কিনা না জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

এদিকে মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পেরে ঢাকাদক্ষিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আব্দুর রহিম গ্রাম পুলিশ সহ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ইয়াহইয়া ছিদ্দিককে এই কলোনীতে খোঁজ নিতে পাঠান। তারা এসব দেখে কলোনীর দুটি রুম তালাবদ্ধ করে রাখেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন