এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

……………………………

সিলেটের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান

Daily Jugabheri
প্রকাশিত time ago 10 hours
সিলেটের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান

যুগভেরী ডেস্ক ::: সিলেট কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনালের সড়কের দুরাবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এই সড়কটি অবিলম্বে সংস্কারেরও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বুধবার সকালে নগরের কদমতলীতে টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শনে যান আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এসময় তিনি টার্মিনাল সড়কের বড় বড় গর্ত ও গর্তের মধ্যে পানি জমে থাকা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার আহ্বান জানান।

ওই ভিডিওতে সিসিক প্রশাসককে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যেই জায়গায় দাঁড়ানো আছি, এটি সিলেট কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনালের প্রধান ফটক। এই জায়গা দিয়ে টার্মিনালে গাড়ি প্রবেশ করে। এই জায়গায়ই সড়কে বড় বড় গর্ত। গর্তের মধ্যে পানি জমে আছে। আপনারা বলতে পারেন, আপনি প্রশাসক, আপনি সড়কের গর্ত দেখান কেন? আপনি গর্ত ভরাট করবেন।’

সিটি করপোরেশনের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে সিসিক প্রশাসক এসময় বলেন, কিছু কিছু সীমাবদ্ধতাও আমাদের আমাদের থাকে। আমি যে সড়কে দাঁড়িয়ে আছি এই সড়কটি হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে মেন্দিবাগ ও কুপাড়পাড়া হয়ে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এই সড়কের মালিকানা সড়ক ও জনপথের। আমরা বারবার চেষ্টা করেছি, এই সড়কট আমাদের কাছে হস্তান্তর করার জন্য, তাতে নগরের অন্যান্য সড়কের মতো এটিও আমরা সিটি করপোরেশন থেকে সংস্কার করতাম। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এই সড়কটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করে না। পাশাপাশি মেরামতের বিষয়টি যখন আসে, তখন তাদের বললে তারা খুব একটা কর্ণপাত করে না।

তিনি বলেন, সড়কের মালিক কোন বিভাগ মানুষ এটা দেখতে চায় না। তারা সড়ক সংস্কার আয়, নগর সুন্দর দেখতে চায়। ভালআ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে চায়।

আমি সড়ক ও জনপথকে বলছি, অবিলম্বে এই সড়ক সংস্কার করুন। আমি গতকালকেও সওজ’র কর্মকর্তাদের সাথ বলেছি কিন্তু আজকে পর্যন্ত তারা এ ব্যাপারে কোন উদ্যেগ নেননি।

সাময়িক সমস্যা সমাধানে সিটি করপোরেশন থেকে সংস্কার করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সাময়িক চলাচলের জন্য আমি সিটিকেরপোরেশন থেকে মেরমত করে দিচ্ছি। আমি প্রকৌশলীদের নির্দেশ দিয়েছি, আজকেই সংস্কার শুরু হবে। অন্তত গর্তগুলো ভরাট করে দেওয়া হবে। কিন্তু স্থায়ী মেরামত সওজকেই করতে হবে। আমি আশা করি,সওজ কর্মকর্তা আজকে আমার কথা শুনে সড়ক সংস্কারে উদ্যোগী হবেন। নতুবা জনগন ফুঁসে উঠবে।

সিসিক প্রশাসকের পরির্শনকালে সিলেটের পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সড়কের দুরাস্থার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেটের সভাপতি মঈনুল হক বলেন, টার্মিনাল এলাকার প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমেছে। ফলে এই এলাকার সবসময়ই যানজট লেগে থাকে। গাড়ির যন্ত্রপাতিও বিকল হয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী খাইরুল বাশার মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন সিলেটটুডেকে বলেন, টার্মিনাল এলাকাসহ নগরের ভাঙাচোড়া সড়কের প্রাথমিক সংস্কার কাজ ইতোমধ্যে আমরা শুরু করেছি। তবে বৃষ্টির কারণে কাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। আর দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার করতে হলে দরপত্র আহ্বান করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
২২ জুলাই ২০২৬

সিলেটের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান

বিস্তারিত কমেন্টে