এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

……………………………

সুনামগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন মা-বাবা-তিনজন একসাথে মারা গেলেন

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ০৭ জুলাই, মঙ্গলবার, ২০২৬
সুনামগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন মা-বাবা-তিনজন একসাথে মারা গেলেন

যুগভেরী ডেস্ক ::: সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা নুরুল আমিন (৬০), তার স্ত্রী (৫০) এবং তাদের ছেলে ফরহাদ (৩৮)। বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে নুরুল আমিন তার বাড়ির পাশের একটি টং দোকান মেরামতের কাজ করছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী ও ছেলে ফরহাদও কাজে সহযোগিতা করছিলেন। কাজের একপর্যায়ে ফরহাদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে নুরুল আমিনও বিদ্যুতের সংস্পর্শে আসেন। পরে স্বামী ও ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে নুরুল আমিনের স্ত্রীও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিনজনেই মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াসিল উদ্দিন আহমেদ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-মা ও ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
০৭ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন মা-বাবা-তিনজন একসাথে মারা গেলেন

বিস্তারিত কমেন্টে