এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১লা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

হুমকি দিয়ে লাভ নেই, হকারদের আমরা ফুটপাতে এলাউ করব না: সিসিক প্রশাসক

Daily Jugabheri
প্রকাশিত time ago 2 hours
হুমকি দিয়ে লাভ নেই, হকারদের আমরা ফুটপাতে এলাউ করব না: সিসিক প্রশাসক

যুগভেরী ডেস্ক ::: সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, হুমকী-ধামকি দিয়ে লাভ হবে না। হকারদের আমরা আর ফুটপাত বা রাস্তায় এলাউ করব না। ঈদের আগে বিকেল ৫ টার পর নগরের ফুটপাতে ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে রোববার সিটি করপোরেশনের সামনে বিক্ষোভ করেন হকাররা। তাদের এই আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় এমনটি বলেন সিসিক প্রশাসক।

সিসিক প্রশাসক বলেন, যত্রতত্র যেকোন জায়গায় বসে বা ফুটপাত দখল করা, এইগুলা আমরা আমলে নেবো না। আমরা চাই আইনের শাসন।তিনি বলেন, আমরা তাদের ব্যবসার জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছি। সেখানেই বসতে হবে।

শনিবেরের হকারদের আন্দোলনের সময় কয়েকজনের আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতই হুমকি-ধামকি দেন। সিটি করপপোরেশনকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেন, এসব ভালো করছেন না, এতে কাজ হবে না। রাস্তায় আমরা মোটেই এলাউ করব না।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, প্রত্যেকবারই ঈদ আসার আগে যারা ফুটপাতে ব্যবসা করেন, তাদের পক্ষ থেকে এই দাবি আসে। গতবারও তারা এই দাবি নিয়ে এসেছিলেন। আমরা মানবিক বিবেচনায় তাদের তিনদিন সুযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রত্যেকবার এ সুযোগ দেওয়া সম্ভব না। কারণ সুন্দর নগর গড়তে হলে ফুটপাত পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুটপাতে পণ্যের পসরা নিয়ে বসলে মানুষ কীভাবে চলাচল করবে? তাছাড়া হকারদের কারণে মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্থ হন। তারাও অভিযোগ করেন।

এরআগে রোববার বিকেল ৫টার পর নগরের ফুটপাতে ব্যবসার সুযোগ চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন সিলেটের হকাররা।

রোববার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান ফটকের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে নগরের বিভিন্ন এলাকার শতাধিক হকার অংশ নেন। এসময় বিক্ষোভকারীদের অনেকের হাতে ছিলো ভাতের থালা। বিভিন্ন দাবব্সিম্বলিত প্ল্যাকার্ডও ছিলো কয়েকজনের হাতে।

এসময় হকাররা বলেন, সারাদিন ব্যবসা করতে না পারলেও অন্তত বিকেল ৫টার পর ফুটপাতে বসে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ দিতে হবে। তারা দাবি করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে ফুটপাতের ব্যবসাই অনেক পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযানের নামে ‘পুলিশি নির্যাতন’ ও মালামাল জব্দের অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, উচ্ছেদ অভিযানে প্রায়ই হকারদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়, যা মানবিক নয়।

হকাররা আরও বলেন, কর্মসংস্থানের বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম সংকটে পড়বেন। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফুটপাতে ব্যবসার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন