
যুগভেরী ডেস্ক ::: দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছরের পথচলায় প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানের স্টাফদের নিয়ে আনন্দঘন ও স্মরণীয় এক আয়োজন করেছে আফরোজ পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ। গত শুক্রবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছিল হাসি-আনন্দ, গল্প, আড্ডা, পারস্পরিক অনুভূতি বিনিময় এবং দীর্ঘদিনের কর্মীদের সম্মাননা প্রদান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম। তিনি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এবং আফরোজ পাইপের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিতি ও আস্থার কথা তুলে ধরেন। বক্তব্যে তিনি জানান, আফরোজ পাইপ তিনি দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, ব্যবহার করেছেন এবং এখনও ব্যবহার করছেন। একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত আস্থা ও সন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের কর্মীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। যারা ১৫, ২০ ও ২৫ বছর ধরে নিষ্ঠা, শ্রম ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে আসছেন, তাঁদের হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতি সম্মান জানিয়ে আয়োজিত এ পর্বটি অনুষ্ঠানের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্তে পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে কর্মীদের সম্মিলিত অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমরা কেউ একা সফল হতে পারি না। আমাদের সাফল্য আসে টিমওয়ার্কের মাধ্যমে।
তিনি কর্মীদের আরও আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও অনেক কর্মী তাঁদের যোগ্যতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের অবদানের মাধ্যমে সম্মাননা অর্জন করবেন।
অনুষ্ঠানে কর্মীরাও তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের কর্মজীবনের নানা স্মৃতি। সহকর্মীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এ আয়োজন কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
আয়োজকরা বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান শুধু ভবন, যন্ত্রপাতি ও উৎপাদন ব্যবস্থার সমষ্টি নয়; বরং প্রতিষ্ঠানের মানুষের শ্রম, মেধা, ভালোবাসা ও স্বপ্নের সমন্বয়েই একটি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যায়। আফরোজ পলিমারের উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, বিপণন, প্রশাসনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে কর্মরত মানুষের সম্মিলিত অবদানই প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রার মূল শক্তি।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও দলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় আরও দৃঢ় হয়েছে। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও কর্মীদের নিয়ে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি শেষ হলেও দিনটির আনন্দ, সম্মাননা ও ভালোবাসার স্মৃতি দীর্ঘদিন কর্মীদের মনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আফরোজ পলিমারের প্রত্যয়—ভালো পণ্য, ভালো সেবা এবং একটি শক্তিশালী টিম নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া।-বিজ্ঞপ্তি
সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন