এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি এমপি মৌলভীবাজারের ডলি

Daily Jugabheri
প্রকাশিত time ago 9 hours
কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি এমপি মৌলভীবাজারের ডলি

কানাডার ফেডারেল রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কৃতী সন্তান ডলি বেগম। টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসাবে উপনির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি কানাডার পার্লামেন্টে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার অনুষ্ঠিত এ উপনির্বাচনে ডলির জয়ের ফলে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি কানাডার সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বর্তমানে লিবারেল পার্টির আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৪টিতে।

মৌলভীবাজারের মনুপাড়ের মেয়ে ডলি বেগমের শিকড় জেলার মনুমুখ বাজরাকোনা এলাকায়। বাবা রাজা মিয়া এবং মা জবা বেগমের হাত ধরে মাত্র অল্প বয়সেই তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। তার প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি মনুমুখ বাজরাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর মনুমুখ পিটি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৯৯ সালে তিনি পরিবারের সঙ্গে প্রবাস জীবনে যান। তার এ সাফল্যে এখন আনন্দের জোয়ার বইছে মৌলভীবাজারে।

ডলি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং লন্ডনের বিশ্বখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

প্রাদেশিক রাজনীতিতে ডলি ছিলেন এক অপ্রতিরোধ্য নাম। ২০১৮ সালে প্রথমবার নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) প্রার্থী হিসাবে অন্টারিও প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ‘এমপিপি’ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। এরপর ২০২২ এবং ২০২৩ সালেও তিনি ধারাবাহিকভাবে বিজয়ী হন। চলতি বছরের শুরুতে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনটি শূন্য হলে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির আমন্ত্রণে ডলি লিবারেল পার্টিতে যোগ দেন।

ডলি বেগমের এ সংগ্রামের পথটি সহজ ছিল না। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তার স্বামী, টরন্টোর বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রিজওয়ান রহমানকে হারান। ব্যক্তিগত জীবনের এ গভীর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি নির্বাচনি লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন এবং এ অনন্য বিজয় অর্জন করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন