এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র নানা বয়সী মানুষের ঢল

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ৩০ মে, শনিবার, ২০২৬
সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র নানা বয়সী মানুষের ঢল

যুগভেরী ডেস্ক ::: সিলেট প্রাচীন শহর। এখানে এখনো বিদ্যমান আছে অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। ইতিহাস-ঐতিহ্যে ভরপুর সিলেটকে বলা হয় ঐতিহ্যের শহর। তার সঙ্গে প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যে জুড়ায় চোখ। মনে আসে প্রশান্তি। ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিশেলে সিলেট হয়ে উঠেছে পর্যটননগরী।

এবারের ঈদের ছুটিতে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে সিলেটে এসেছেন কয়েক হাজার পর্যটক। ছুটিতে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সব ক্লান্তি ভুলে যেতে ছুটে আসছেন নানা বয়সী মানুষ। বর্ষার যৌবনা সাদাপাথর সিলেটের সবুজে মোড়ানো চা বাগানগুলোও হয়ে উঠেছে প্রকৃতি-প্রেমীদের অন্যতম গন্তব্য। শহরের ইট-পাথরের ব্যস্ত জীবন থেকে একটু স্বস্তির খোঁজে মানুষ ছুটে আসছেন সবুজে ঘেরা চা বাগানের নির্মল পরিবেশে।

 

সাদাপাথর, রাতারগুল, জাফলং কিংবা চা বাগান সিলেটের প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্র ঘিরেই গড়ে উঠেছে হাজারো মানুষের জীবিকা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আগমনে তাই প্রাণ ফিরে পেয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখেও। তবে তারা বলছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ওয়াশরুম আরও কিছু সুযোগ সুবিধা বাড়ালে পর্যটন কেন্দ্রটি হয়ে বিশ্ব মানের পর্যটন কেন্দ্রে।

পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানকার পরিবেশ সবকিছুই ভালো ছিলো। কিন্তু আরেকটু যদি নিরাপত্তা ভালো হতো, তাহলে পর্যটক আরও আসতো। ওয়াশরুমের, চেঞ্জ রুমের সমস্যা হয়। এগুলো যদি আরও ডেভেলপ করা যায়, তাহলে আরও সুবিধা হবে।

ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতায় প্রশাসন তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। অন্যদিকে, সিলেট জেলার বেশিরভাগ পর্যটন কেন্দ্র নিজ নির্বাচনী এলাকায় হওয়ায় পর্যটন উন্নয়ন ও তদারকিতে নিজ থেকেই কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের পরপর এই পর্যটনের জন্য অনেক লোকজন আসবে বাইরে থেকে। তাদের নিরাপত্তা এবং হচ্ছে যে যারা বাসা-বাড়িতে গেছে তাদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের প্রস্তুতি আছে এবং এইটা প্রস্তুতি থাকবে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘প্রাকৃতিক কন্যা জয়ন্তিকা, জাফলং, বিছানকান্দি, কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর, লালাখাল এগুলা মানে তারা ভিজিটরসরা আসে। নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, এবং যাতে কোনো ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন না হয়।’

পর্যটকদের মতে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই জনপদকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্রে রূপ দিতে প্রয়োজন আরও পরিকল্পিত উদ্যোগ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
৩০ মে ২০২৬

সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র নানা বয়সী মানুষের ঢল

ভিজিট করুন- www.jugabheri.com ( বিস্তারিত কমেন্টে )