এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

জৈন্তার শাপালা বিলের চারপাশে হচ্ছে ওয়াকওয়ে-মন্ত্রী আরিফুল হক

Daily Jugabheri
প্রকাশিত time ago 3 hours
জৈন্তার শাপালা বিলের চারপাশে হচ্ছে ওয়াকওয়ে-মন্ত্রী আরিফুল হক

যুগভেরী ডেস্ক ::: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবির হাওর এলাকার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ লাল শাপলার বিলের সৌন্দর্যবর্ধন ও পর্যটকদের সুবিধায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিলের চারপাশে নির্মাণ করা হবে ওয়াকওয়ে। বিলের পাশে পর্যটকদের রাত্রিযাপনের জন্য হবে ছোট ছোট কটেজ ও বিশ্রামাগার।

এমনটি জানিয়েছেন ওই এলাকার সংসদ সদস্য এবং শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। যুক্তরাষ্ট্র সফররত আরিফুল হক শুক্রবার সেখানকার স্থানীয় বাঙালিদের সাথে একটি অনুষ্ঠানে এমনটি জানান।

জৈন্তাপুরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে এই শাপলা বিলের অবস্থান। এখানে জৈন্তরাজ্যের রাজা রাম সিংহের স্মৃতিবিজড়িত ডিবির হাওর, ইয়াম, হরফকাটা কেন্দ্রী বিলসহ রয়েছে চারটি বিল। বিলগুলোকে কেন্দ্র করেই নাম করা হয়েছে ডিবির হাওর। এই বিলগুলো শুষ্ক মৌসুমে শাপলার রাজ্যে পরিণত হয়। বিলে ফুটে থাকে অজস্র লাল শাপলা। এ কারণে এই বিলগুলো পর্যটকদের কাছে এন শাপলা বিল নামে পরিচিত। প্রতিবছরই প্রচুর সংখ্যক পর্যটক লাল শাপলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে এ বিলে যান। তবে নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে তাদের দুর্ভোগ পোহতে হয়।

শুক্রবার (৮ মে) নিইয়র্কের একটি হোটেলে সিলেট-৪ আসনের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় সভায় শাপলা বিলের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় তিনি নিজ র্নিাচনী আসনের উন্নয়নের চিত্রও তুলে ধরেন।

এসময় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, শাপলা বিলের চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে সেখানে ছোটো কটেজ এবং বিশ্রামাগার করার কাজ শুরু হয়েছে, যাতে আগ্রহীরা সেখানে রাতযাপন করে ভোরের দিকে মনোমুগ্ধকর শাপলাবিলে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। বিলটি সুরক্ষিত রাখারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া চেঙেরখালের তীরে রাতারগুলের ওদিকে রাস্তা দুদিক থেকেই ভেঙে গিয়েছিল। সেটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে এবং দ্রুত তা শেষ হবে।

তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংস্কার, বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মাণ, ও বেঞ্চ ডেস্কসহ অন্যান্য সব সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া হরিপুর বাজার, দরবস্তবাজার, রামধাবাজারসহ আরো একটি বাজারের প্রতিটিকে ৪/৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার ও আধুনিকায়ন প্রকল্প বাস্তাবান শুরু হয়েছে।

নিজের নির্বাচনী প্রচারের সময়ের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় আমি যতো ‘হাকম’ (বাঁশ বা কাঠের সেতু) পাড়ি দিয়েছি। তখন আমি বলেছিলাম, এখন আপনাদের কাজ। ১২ তারিখের পর কাজ আমার। আমি তা শুরু করেছি। জরিপ করিয়েছি। এবং ৬৬ কিলোমিটার আরসিসি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যেখানে যেখানে সেতু কালভার্ট লাগবে, তা তৈরি করা হবে।

এ বছর অন্তত ১০টি সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন