এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

ভারত সীমান্তে পড়ে থাকা মাছুমের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ২৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার, ২০২৪

কানাইঘাট প্রতিনিধি:
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ) এর পতাকা বৈঠকের পর ভারত সীমান্তে পড়ে থাকা গলা কাটা অবস্থায় কানাইঘাটের কিশোর মাছুম আহমদ (১৪) এর লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মাছুম আহমদের মাথা বিচ্ছিন্ন অর্ধগলিত লাশ বিজিবি, বিএসএফ এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তবর্তী থানা ও বাংলাদেশের কানাইঘাট থানা পুলিশের উপস্থিতিতে তার লাশ উভয় দেশের আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের সম্মতিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। লাশ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার ও সুরইঘাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার নায়েব সুবেদার ইলিয়াছ হোসেন। তবে কি ভাবে এবং কাহার হাতে মাছুম আহমদ খুন হয়েছে এর সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহতের পিতা কানাইঘাট লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সীমান্তবর্তী সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের নুরুল হক জানান তার ছেলে মাছুম আহমদের লাশ বাড়ীতে আনার পর গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্থানীয় মসজিদে নামাজে জানাজার পর গ্রামে পঞ্চায়েত কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তার অভিযোগ ছেলে মাছুম আহমদকে পরিকল্পিত ভাবে অত্যান্ত পৈশাচিক কায়দায় নির্মম ভাবে হত্যা করে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বিচ্ছিন্নকৃত ডান হাতটিও পাওয়া যায়নি। মাথার সামনে ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। ছেলের অর্ধগলিত বিকৃত লাশ দাফন করা হয়েছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে মাছুম আহমদ নিখোঁজ থাকার পর কানাইঘাট সোনাতনপুঞ্জি সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে ১৩১২-৮ পিলারের কাটা তারের পাশে নিখোঁজ মাছুম আহমদের গলা কাটা লাশ গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে পাওয়া যায়। এ হত্যাকান্ড নিয়ে এলাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ে এহত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে অনেকে ধারনা করছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন