এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সোপানের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী পালিত

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ০৩ জুন, সোমবার, ২০২৪ ০০:৪৬:০৮
সোপানের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী পালিত

যুগভেরী ডেস্ক ::: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী, সোপান, শিশুদের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের সংগীত ও আবৃত্তি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।   গতকাল বিকেল ৫টায় মিরাবাজারস্থ মডেল হাই স্কুলের সোপান হল রুমে, সোপান পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী সভাপতি মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অপূর্ব শর্মা’র সভাপতিত্বে ও সৃষ্টি বিশ্বাস ও ইসরাত জাহান চৌধুরী অনুভা সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোপান পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকারী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাপসী চক্রবর্তী লিপি, খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিশিষ্ট ছড়াকার কবি সিরাজ উদ্দিন শিরুল, অধ্যাপক শাহানাজ শীলা।  আলোচনা সভায় বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জীবনে শিশু সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলাহয় কবিদের কবি। কবি গুরু। তিনি আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা। বিশ্বের প্রায় সকল বাংলাভাষী মানুষের প্রিয় কবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সব্যসাচী লেখক। তিনি বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায়-ই পদচারনা করেছেন গৌরবে। বিশ্ব কবির পদচারনায় উর্বর, সরস ও বৈচিত্রময় হয়েছে বাংলা সাহিত্য। তিনি ছিলেন মাটি ও মানুষের কবি। তাই শিশুরা তাঁর ¯েœহ থেকে বঞ্চিত হয়নি। তিনি শিশুদের জন্য অসংখ্য ছড়া, কবিতা, গান, নাটকসহ নানা রকম শিশুতোষ রচনা রেখে গেছেন যা পাঠ করলে সংস্কৃতি ও প্রকৃতির ধারায় পৌছানো যাবে।   কবি কাজী নজরুল ইসলামও ছিলেন শিশু সাহিত্যে অতুলনীয়। তিনি যখন শিশু সাহিত্য লিখতেন যেন শিশু হয়েই শিশুর মনের কথা লিখে যাচ্ছেন। যা আমরা পাই ‘খুকি ও কাঠবিড়ালি কবিতা থেকে।’ শিশুদের আবেগকে ছন্দে বেধেছেন কবি নজরুল। তাঁর কবিতায় ওঠে এসেছে শিশুদের সকল মধুর সম্পর্ক। তিনি শিশুদের মন বোঝতেন। তাঁর মতো শিশু মনের খোরাক মেটাতে পেরেছেন বাংলা সাহিত্যে খুব কম কবিই। তাই বাংলা সাহিত্য বুঝতে হলে রবীন্দ্র নজরুল অবশ্যই সকলকে পাঠ করতে হবে এবং বুঝতে হবে মাটি ও মানুষকে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিবৃন্দ ছাড়াও অলোচনায় অংশগ্রহন করেন শ্যামল চন্দ্র দে, বিধান দেব চয়ন, অধ্যাপক শাহনাজ শীলা, অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন রাজবংশী, আব্দুল মালিক, নামব্রম শংকর, ইমন চন্দ্র দাস প্রমুখ।  আলোচনা পর্ব শেষে সংগীত ও আবৃত্তি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবেশনায় এক মনোঞ্জ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন