এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

গোয়াইনঘাটে অগ্নিকান্ডে নিহত -১ : তদন্ত কমিটি গঠন : জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ৩০ মার্চ, শনিবার, ২০২৪ ০৪:২৭:৪৪
গোয়াইনঘাটে অগ্নিকান্ডে নিহত -১ : তদন্ত কমিটি গঠন : জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি, গোয়াইনঘাট (সিলেট)
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের লাটিগ্রামের একটি বসত ঘরে আগুন লেগে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী রাজিয়া বেগম (বয়স:৫৫ বছর) আগুনে পুড়ে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেন।  ২৯ মার্চ,২০২৪ তারিখ প্রথম প্রহরে (রাতে)  গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে আজ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তৌহিদুল ইসলাম অগ্নিকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।  পরিদর্শনের সময় গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিক আহমেদ এবং ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী সুমন উপস্থিত ছিলেন। অগ্নিকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্থানীয় প্রতিনিধি কে অগ্নি দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে তথ্য ও আলামত সংগ্রহ করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।অগ্নি দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর করুণ মৃত্যুতে জেলা প্রশাসক, সিলেট জনাব শেখ রাসেল হাসানের নির্দেশনা মোতাবেক অগ্নিকাণ্ডে নিহত মানসিক ভারসাম্যহীন রাজিয়া বেগমের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি সহায়তা হিসেবে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা প্রদান করা হয়েছে।  এখানে উল্লেখ্য যে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে প্রবেশের রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অগ্নি নির্বাপণকারী গাড়ি প্রবেশ করতে পারেনি। গ্রামবাসীর মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন ভোর রাতে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। নিহত মহিলার লাশ পোস্ট মর্টেম করার নিমিত্ত সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভোরে প্রেরণ করা হয়েছিলো।  অগ্নিকান্ডে নিহত মহিলার ভাই জামাল আহমদের ঘরের টিনের চাল, দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র পুড়ে যায় এবং ঘরের একটি কক্ষে থাকা জামাল আহমদের মানসিক ভারসাম্যহীন বোন মোছাঃ রাজিয়া বেগম(৫৫) দগ্ধ হন। স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষনিক পুড়ে যাওয়া ঘরের দরজা ভেঙ্গে মোছাঃ রাজিয়া বেগমকে অগ্নিদগ্ধ ও মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকান্ডে বসতঘরের টিনের চাল, দরজা-জানালা ও বসতঘরে থাকা আসবাবপত্র পুড়ে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।  অগ্নিসংযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মাধ্যমে অগ্নিসংযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছে।  অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি,উপজেলা নির্বাহী অফিসার (আহ্বায়ক),ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, গোয়াইনঘাট থানা এর প্রতিনিধি,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা,ও ১২নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।  আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন