এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২



……………………………

গেজেট হওয়ার বছর পার, ভাতা পাচ্ছে না বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

Daily Jugabheri
প্রকাশিত 19 February, Monday, 2024

জগন্নাথপুর উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট প্রকাশের এক বছর পরও এক বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পাচ্ছে না। এনিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।  জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের মোল্লারগাঁও গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান ২০১৩ সালে মারা যান। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত না হলেও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হয়। এরপর তার স্ত্রী আনোয়ার বেগম ২০১৯ সালের ২৪ জুন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে নাম তালিকাভুক্ত করার আবেদন করেন। যার প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গেজেটভুক্ত হয় (গেজেট নম্বর ৪৯৪৭)।   ২০২০ সালে আনোয়ারা বেগম মৃত্যুবরণ করলে তার ছেলে মুকিত মিয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রদান সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবেদন করেন।   বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুল হান্নানের ছেলে আব্দুল মুকিত জানান, আমার বাবা জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীনে ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাবার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাবা ও মা দেখে যেতে পারলেন না। অনেক দৌড়ঝাঁপের পর গেজেট হলেও এক বছর ধরে সম্মানী ভাতা পাচ্ছি না। সোনালী ব্যাংকে ঘুরতে ঘুরতে এখন ক্লান্ত ও হতাশ।   সোনালী ব্যাংক জগন্নাথপুর শাখা ব্যবস্থাপক ওয়ালিদ আহমেদ বলেন, ব্যাংকের দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ততার কারণে এ বিষয়ে ফাইল প্রস্তুতি কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। অচিরেই সুরাহার চেষ্টা করব।   জগন্নাথপুরের ইউএনও আল বশিরুল ইসলাম বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নানের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট প্রকাশের পর আমরা সম্মানী ভাতার জন্য সোনালী ব্যাংকে কাগজপত্র পাঠিয়েছি। কেন ভাতা পেতে বিলম্ব হচ্ছে, খোঁজ নিয়ে পদক্ষেপ নেব।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
19 February 2024

গেজেট হওয়ার বছর পার, ভাতা পাচ্ছে না বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

বিস্তারিত কমেন্টে