
সিলেট রেলওয়ের ট্রেনের টিকেট বাজারজাতকরণের সাথে সাথে মুহুর্তেই সকল টিকেট হাওয়া হয়ে যায়। একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম গামী উপবন, কালনি, জয়ন্তিকা, পারাবত, উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট বেশি দামে কালোবাজারিদের মাধ্যমে বিক্রির অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় সাধারণ মানুষ স্যোশাল মিডিয়াতে ক্ষোভ প্রকাশ করলে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। ট্রেনের টিকেট বিক্রয়ের জন্য অনলাইন প্লাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সকল টিকেট বিক্রয় হয়ে যায় মর্মে বিভিন্ন উৎস হতে বিজ্ঞ আদালতের নিকট অভিযোগ করা হয়। ট্রেনের টিকেট বিক্রয়ের ওয়েবসাইট https://eticket.railway.gov.bd/ পরিদর্শন করে বিজ্ঞ আদালত দেখেন যে, নির্দিষ্ট দিনের টিকেট বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সকল টিকেট বিক্রয় হয়ে যায়। এত গুলো টিকেট মুহূর্তেই হাওয়া হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতের নিকট সন্দেহের সৃষ্টি করে। একটি চক্র ট্রেনের টিকেট বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কারো কারো সহায়তায় মুহুর্তেই ট্রেনের সকল টিকেট হাওয়া করে দিয়ে অধিক মূল্যে যাত্রীদের নিকট বিক্রয় করছে। এ ধরনের কর্মকান্ড সাধারণ মানুষের হয়রানির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশেও অন্তরায় হয়ে দাড়াচ্ছে। উক্ত বিষয়টি ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আব্দুল্লা আল নোমান-এর নজরে আসে। মুহুর্তের মধ্যে ট্রেনের টিকেট হাওয়া হয়ে যাওয়ার ঘটনা পর্যালোচনায় কালোবাজারী ও মজুদদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে মর্মে সন্দেহের কারণে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল নোমান স্ব-উদ্যোগে মিস মামলা নং-০১/২০২৬ মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপার, পিবিআই সিলেটকে নির্দেশ প্রদান করেন। পিবিআই, সিলেটের উপ-পরিদর্শক আব্দুল আহাদ মামলাটির তদন্ত করছেন। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা