ক্রীড়া ডেস্ক ::: বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টার ম্যাচে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লিওনেল মেসির দল।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে চাপে রাখে মিশর। শক্ত রক্ষণ, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেরের একের পর এক অসাধারণ সেভে হতাশ হয়ে পড়ে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। বরং ৩১তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় মিসর। এরপর প্রথমার্ধের শেষদিকে হুলিয়ান আলভারেজের নিশ্চিত গোলও অবিশ্বাস্য সেভে ঠেকিয়ে দেন শোবের।
বিরতির পরও আর্জেন্টিনার দুর্দশা কাটেনি। ম্যাচের ৬০ মিনিটের দিকে আবারও জালে বল জড়ায় মিশর। যদিও একবার ভিএআরে গোল বাতিল হয়, পরে আরেক আক্রমণে সফল হয়ে ব্যবধান ২-০ করে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। তখন বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
চাপের মুহূর্তে সামনে আসেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচের শেষ ভাগে তার নেতৃত্বে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। প্রথমে এক গোল শোধ করার পর মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে আরও একটি গোল করে ২-২ সমতায় ফেরে আলবিসেলেস্তেরা। দুই গোলেই মেসির সৃজনশীলতা ও আক্রমণভাগে নেতৃত্ব ছিল চোখে পড়ার মতো।
সমতায় ফেরার পর আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দ্রুতগতির এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গঞ্জালো মন্টিয়েলের বাড়ানো বলে বক্সের ভেতর থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। সেই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
বাকি সময়ে মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি মিশর। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ও সমর্থকরা।
ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে মিশরকে। অন্যদিকে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা