যুগভেরী ডেস্ক ::: সিলেটে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এবার সিলেট বিভাগজুড়ে ৮৯ হাজার ৬৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। গত বছরের তুলনায় ১২ হাজার ৭৯৮ জন কম। এর আগের বছর ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী কমেছিল ৬ হাজার ৮৫৪জন। এর আগে ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী কমেছিল ৬ হাজার ৮৫৪জন।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৬৫০ জন এবং ছাত্রী ৫৩ হাজার ৯৯৩ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় সবচেয়ে বেশি ৩৫ হাজার ৪৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। মৌলভীবাজারে ১৯ হাজার ৯৪৮ জন, সুনামগঞ্জে ১৮ হাজার ৪২২ জন এবং হবিগঞ্জে ১৫ হাজার ৮১৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
বিভাগভিত্তিক হিসেবে মানবিক বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বাধিক ৫৮ হাজার ১৯৯ জন। এ বিভাগে ছাত্র ২৩ হাজার ৮৮ জন এবং ছাত্রী ৩৫ হাজার ১১১ জন।বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষার্থী রয়েছে ২৫ হাজার ১৯১ জন। এর মধ্যে ৯ হাজার ৫১০ জন ছাত্র এবং ১৫ হাজার ৬৮১ জন ছাত্রী। অন্যদিকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ২৫৩ জন এর মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৫২ জন এবং ছাত্রী ৩ হাজার ২০১ জন।
এবার সিলেট বিভাগে মোট ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৯৪টি কেন্দ্র, সুনামগঞ্জে ৪৫টি, হবিগঞ্জে ৪৯টি এবং মৌলভীবাজারে ৩৭টি কেন্দ্র রয়েছে।
সিলেটের চার জেলার ২২৫টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমদিন সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্র বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সিলেট শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন বলেন, ‘এ বছর সিলেট বোর্ডের অধীনে ৮৯ হাজার ৪২১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্রী ৫৩ হাজার ৮৯১ জন এবং ছাত্র ৩৫ হাজার ৫৩০ জন।’
এদিকে পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সিলেট মহানগর এলাকার মোট ৩৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোর দু’শো গজের মধ্যে পরীক্ষা শুরুর ১ ঘন্টা পূর্ব থেকে শেষ হওয়ার ১ ঘন্টা পর পর্যন্ত জনসমাবেশ, মিছিল, গান-বাজনা, হৈচৈ, চেঁচামেচি, ঢাক-ঢোল বাজানো, মাইক্রোফোন, লাউড স্পিকার, বা অন্য কোনো শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র বহন ও ব্যবহার, অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা বা লাঠি বহন, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার, বহিরাগত ও অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী যে কোনো কাজ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কেন্দ্রগুলো হচ্ছে, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা, সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দি এইডেড হাইস্কুল, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরীমোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পাঠানটুলা দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়, রাজা জিসি উচ্চ বিদ্যালয়, ওসমানী মেডিকেল উচ্চ বিদ্যালয়, রাজারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী আব্দুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়, জামেয়া রহমানিয়া তায়িদুল ইসলাম ফতেহপুর কামিল মাদ্রাসা, শাহজালাল ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আম্বরখানা গার্লস স্কুল ও কলেজ, বাদাঘাট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাউথ সুরমা উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ সুরমা নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ সুরমার মোহাম্মদ মকন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ সুরমার নবারুণ উচ্চ বিদ্যালয়, রেবতী রমন দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়, মোগলাবাজারের ইছরাব আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, দক্ষিণ সুরমার জালালপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রেঙ্গা হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, আল-আমিন জামেয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, শাহজালাল উপশহর হাইস্কুল, সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়, হযরত শাহপরাণ (র.) উচ্চ বিদ্যালয়, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দক্ষিণ সুরমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ সুরমার বিবিদইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মিরাবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দক্ষিণ সুরমার জালালপুর ডিগ্রি কলেজ। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা