এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

আটাব সিলেট জোনের সাধারণ সদস্যবৃন্দের মতবিনিময়

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ১৭ নভেম্বর, সোমবার, ২০২৫
আটাব সিলেট জোনের সাধারণ সদস্যবৃন্দের মতবিনিময়

যুগভেরী ডেস্ক ::: ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ (খসড়া) এর কতিপয় ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) সিলেট অঞ্চলের সাধারণ সদস্যবৃন্দ। ট্রাভেল এজেন্সি খাতের স্বার্থ রক্ষায় আটাব সিলেট অঞ্চলের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এক মানববন্ধন এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার রাতে নগরীতে আটাব সিলেট অঞ্চলের সাধারণ সদস্যবৃন্দের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কর্মসূচীতে সিলেটের সর্বস্তরের ট্রাভেল এজেন্স ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আটাব সিলেট জোনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন- হাব সিলেট অঞ্চলের সভাপতি মোঃ আব্দুল হক, আটাব সিলেট জোনের সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন বাবুল ও জিয়াউর রহমান রেজওয়ান, হাবের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল কবির চৌধুরী, হাবের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল কাদির, সাবেক চেয়ারম্যান খাজা মইনুদ্দিন জালালাবাদী ও আটাবের সাবেক সেক্রেটারি দেওয়ান রুসু চৌধুরী।

সভায় নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আটাব কমিটি বাতিল করে সংগঠনকে দুর্বল করার নীলনকশা বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র চলছে। এটি পুরো দেশের পুরো ট্রাভেল শিল্পের জন্য মারাত্মক ক্ষতি এবং লাখো মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। আমরা ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা করছি, তবুও আমাদের ব্যবসা বন্ধের কালো আইন দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন করে সঙ্কট সৃষ্টি হবে। অবৈধ আইন নয়, ট্রাভেল এজেন্সি বাঁচার আইন চাই।

তারা বলেন- ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ (খসড়া) আইনে কিছু ধারা রয়েছে, যা দেশের ট্রাভেল ট্রেডের জন্য চরম ক্ষতিকর। বিশেষ করে অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লাখ টাকা জামানতের প্রস্তাব, এক এজেন্সির সাথে অন্য এজেন্সির ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা এবং জেল-জরিমানা বৃদ্ধির প্রস্তাব সবকিছুই অযৌক্তিক ও ব্যবসাবান্ধব নয়। এমনিতেই দেশের ট্রাভেল ও ট্যুরিজম খাত ইতিমধ্যে কঠিন সময় অতিক্রম করছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন আইন দিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার মতো ধারা প্রণয়ন করা হলে লাখো মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। এই খাতের উন্নয়ন চাইলে সরকারকে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এমন আইন প্রণয়ণের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত থেকে অবশ্যই সরে আসতে হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন