এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

……………………………

ইলিয়াস আলীর মায়ের সাথে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ সাক্ষাত

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ২৬ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, ২০২৪

যুগভেরী ডেস্ক :::  বৃটেনের প্রতিথযশা আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লন্ডনের নিউহ্যাম বারার টানা তিনবারের সাবেক ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার নাজির আহমদ গুম হওয়া সিলেটের কৃতি সন্তান বি এন পির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর শোকাতুর মা’কে দেখতে বিশ্বনাথে তাদের গ্রামের বাড়িতে যান। তাঁর মায়ের সাথে সাক্ষাতের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, অশীতিপর বৃদ্ধ ও পুত্রশোকে কাতর এম ইলিয়াস আলীর মায়ের হৃদয়ে হাহাকার দেখে চোখের পানি ধরে রাখা কষ্টকর। যে বাড়িটি সব সময় জমজমাট থাকতো বলে শুনেছি, এখন সেখানে শুনশান নিরবতা বিরাজ করছে । তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের দেড় মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেল অথচ এখন পর্যন্ত এম ইলিয়াস আলীর কোন সন্ধান পাওয়া গেলো না।
এম ইলিয়াস আলীকে সিলেটের আপোসহীন ও সাহসী নেতা হিসেবে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, রাজনীতিতে তার সাথে যে কারো দ্বিমত থাকতেই পারে। কোন অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা যেতো, কিন্তু একজন জলজ্যান্ত ব্যক্তি ও জাতীয় নেতাকে গুম করাকে কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমরা কোন দেশে বসবাস করছিলাম? সরকার সব ধরণের গুমের তদন্তের জন্য বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশন করাকে ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, শুধুমাত্র এম ইলিয়াস আলীর জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন করা দরকার। এটি করলে অনেক থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে, অনেক রাগব বোয়াল ফেঁসে যাবে। ঐ সময়ের সরকারের একেবারে উচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেকে এর দায় কোনোভাবে এড়াতে পারবেন না। এম ইলিয়াস আলীর গুমের সাথে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার। গুমের ব্যাপারে বিগত সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করা দরকার বলে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ মনে করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন