এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে দূর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতন এলাকাবাসীর মানববন্ধন

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ০৯ জুলাই, মঙ্গলবার, ২০২৪ ১৮:৩০:০৪
বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে দূর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতন এলাকাবাসীর মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক গোয়াইনঘাট:: সিলেটের বঙ্গবন্ধু (আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ) মহাসড়কে দূর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতন এলাকাবাসীর মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকাল ৫ টার দিকে সালুটিকর বাজার সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু (আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ) মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী বলেন, প্রতিদিন বঙ্গবন্ধু ( আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ) মহাসড়কে ঝরছে প্রাণ। প্রতিদিনই খবরের কাগজে ভেসে উঠছে বীভৎস সব লাশের ছবি। এ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার খবর যেন আমাদের গা-সহা হয়ে গেছে। ফলে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ ঝরলেও তা আমাদের মনকে আবেগতাড়িত করে না। নিহতের স্বজনদের আর্তচিৎকার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করলেও তা যেন আমাদের বিবেককে নাড়া দিতে পারছে না। কিন্তু আমরা কি একবারের জন্যও ভেবে দেখি নিহতদের পরিবারের কথা? তারা কি ভুলতে পারে তাদের স্বজন হারানোর কথা?যে মানুষটি ছিল পরিবারের একমাত্র অবলম্বন, একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সেই পরিবারের অন্য সদস্যদের সব স্বপ্ন-আশা-আকাক্সক্ষা ভেঙে চুরমার করে দেয়। তাদের ভবিষ্যৎ হয়ে পড়ে অনিশ্চিত। আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ মহাসড়কের দুর্ঘটনার কারণগুলো কমবেশি সবারই জানা। চালকের অসতর্কতা, অসচেতনতা, বেপরোয়া বা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালনা, ত্রুটিপূর্ণ রাস্তা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ ছাড়া চালকরা অনেক সময় ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালায়, যার ফলে একসময় নিজের অজান্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। তাই চালকদের এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। কোনোভাবেই অসুস্থ বা ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। প্রত্যেক মানুষেরই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ ওভারটেকিং প্রবণতা। সাধারণত রাস্তায় ধীরগতির গাড়িগুলোকে ওভারটেকিংয়ের প্রয়োজন পড়ে। এ সময় হর্ন বাজিয়ে সামনের গাড়িকে সংকেত দিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় সংকেত না দিয়ে একজন আরেকজনকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে, যার ফলে সামনের দিক থেকে আসা গাড়ি বের হতে না পেরে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তাই সঠিক নিয়ম মেনে সতর্কতার সঙ্গে ওভারটেক করা উচিত। দ্রুতগতির যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির যানবাহন চলাচল। ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণেও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই আমাদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে। আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ সড়ক-মহাসড়কটিকে ডিজিটাল নজরদারির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। সরকার, চালক, মালিক, শ্রমিক ও যাত্রী সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে- মনে রাখতে হবে, সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। উক্ত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নন্দীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস কামরুল হাসান আমিরুল, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সভাপতি এম এ মতিন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রিপন, নন্দিরগাওঁ ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক বিধান চন্দ, যুগ্ম আহবায়ক মিছবাহ আহমদ, সোহান দে, সালুটিকর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শামস উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী ফরিদ আহমদ, হাজী রফিক আহমদ, জফুর মিয়া, ইব্রাহিম আলী, জিয়াউল হক জিয়া, বিলাল উদ্দিন চৌধুরী, আলাজুর রহমান, সেলিম আহমদ, আরিফ মাহমুদ শাহীন, সাজু আহমদ প্রমুখ।ড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকাল ৫ টার দিকে সালুটিকর বাজার সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু (আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ) মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী বলেন, প্রতিদিন আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ মহাসড়কে ঝরছে প্রাণ। প্রতিদিনই খবরের কাগজে ভেসে উঠছে বীভৎস সব লাশের ছবি। এ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার খবর যেন আমাদের গা-সহা হয়ে গেছে। ফলে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ ঝরলেও তা আমাদের মনকে আবেগতাড়িত করে না। নিহতের স্বজনদের আর্তচিৎকার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করলেও তা যেন আমাদের বিবেককে নাড়া দিতে পারছে না। কিন্তু আমরা কি একবারের জন্যও ভেবে দেখি নিহতদের পরিবারের কথা? তারা কি ভুলতে পারে তাদের স্বজন হারানোর কথা?যে মানুষটি ছিল পরিবারের একমাত্র অবলম্বন, একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সেই পরিবারের অন্য সদস্যদের সব স্বপ্ন-আশা-আকাক্সক্ষা ভেঙে চুরমার করে দেয়। তাদের ভবিষ্যৎ হয়ে পড়ে অনিশ্চিত। আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ মহাসড়কের দুর্ঘটনার কারণগুলো কমবেশি সবারই জানা। চালকের অসতর্কতা, অসচেতনতা, বেপরোয়া বা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালনা, ত্রুটিপূর্ণ রাস্তা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ ছাড়া চালকরা অনেক সময় ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালায়, যার ফলে একসময় নিজের অজান্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। তাই চালকদের এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। কোনোভাবেই অসুস্থ বা ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। প্রত্যেক মানুষেরই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ ওভারটেকিং প্রবণতা। সাধারণত রাস্তায় ধীরগতির গাড়িগুলোকে ওভারটেকিংয়ের প্রয়োজন পড়ে। এ সময় হর্ন বাজিয়ে সামনের গাড়িকে সংকেত দিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় সংকেত না দিয়ে একজন আরেকজনকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে, যার ফলে সামনের দিক থেকে আসা গাড়ি বের হতে না পেরে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তাই সঠিক নিয়ম মেনে সতর্কতার সঙ্গে ওভারটেক করা উচিত। দ্রুতগতির যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির যানবাহন চলাচল। ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণেও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই আমাদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে। আম্বরখানা- ভোলাগঞ্জ সড়ক-মহাসড়কটিকে ডিজিটাল নজরদারির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। সরকার, চালক, মালিক, শ্রমিক ও যাত্রী সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে- মনে রাখতে হবে, সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

উক্ত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নন্দীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস কামরুল হাসান আমিরুল, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সভাপতি এম এ মতিন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রিপন, নন্দিরগাওঁ ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক বিধান চন্দ, যুগ্ম আহবায়ক মিছবাহ আহমদ, সোহান দে, সালুটিকর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শামস উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী ফরিদ আহমদ, হাজী রফিক আহমদ, জফুর মিয়া, ইব্রাহিম আলী, জিয়াউল হক জিয়া, বিলাল উদ্দিন চৌধুরী, আলাজুর রহমান,সেলিম আহমদ, আরিফ মাহমুদ শাহীন, সাজু আহমদ প্রমুখ।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন