এশিয়ার প্রাচীনতম বাংলা সংবাদপত্র প্রথম প্রকাশ ১৯৩০

প্রিন্ট রেজি নং- চ ৩২

২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে সিলেটের কামার শিল্পীদের

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ১০ জুন, সোমবার, ২০২৪ ১৭:১৭:৪৬
ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে সিলেটের কামার শিল্পীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক :: টুং-টাং শব্দে মুখরিত সিলেট নগরীর কামারপল্লী। এই শব্দই জানান দিচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা সন্নিকটে। ঈদের আর মাত্র ৭ দিন বাকি। তাই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দিন-রাত সমান তালে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকার কামার শিল্পীরা। ১০ জুন রোজ সোমবার সিলেট চাঁদনীঘাট, কালীঘাট, মহাজনপট্টি কাজিরবাজারের ও মদিনা মার্কেটসহ বিভিন্ন কামারপাড়া ঘুরে দেখা যায়, আগুনের তাপে ঘাম ঝরছে কামারের শরীরে। ইস্পাত কঠিন হাত দু’খানা আঘাত করছে লোহার বস্তুতে। শক্ত আঘাতে বদলে যাচ্ছে লোহার ধরন। তৈরি হচ্ছে মাংস কাটার অস্ত্র, কামার পল্লীতে সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

গত কয়েকদিন ধরেই তারা ভোর থেকে মাঝরাত পর্যন্ত দা, ছুরি, বঁটিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম তৈরি ও মেরামতের কাজ করছেন। সময় যত ঘনিয়ে আসছে বেচা-কেনাও বাড়ছে তাদের। শেষ মুহূর্তে দম ফেলার সময় নেই কামারদের। কয়েকটি কামারের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি কাটারি বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, দা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, কেজি হিসেবে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা, ছোট ছুরি ১২০ থেকে ২৫০ টাকা। বড় ছুরি ১৬০০ থেকে ২২০০ এছাড়া বটি প্রতি পিস ১০০ থেকে ৩০০ টাকা।

ক্রেতাদের দাবি, এ বছর পশু কোরবানির উপকরণের দাম তুলনামূলক বেশি। আর কামারদের দাবি, ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় সরঞ্জামাদির দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক কামার শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি প্রভৃতি বিক্রি করে যে ব্যবসা হয়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ব্যবসা হয় কোরবানির ঈদে। ব্যবসায়ী বিন্দু কর্মকার জানায়, এই কাজ তারা বংশানুক্রমে করে আসছেন। এ পেশায় বর্তমানে যারা রয়েছেন তারা বেশিরভাগই বাপ-দাদার ব্যবসাকে আঁকড়ে ধরে আছেন। আকাশ কর্মকার নামের এক ব্যবসায়ী জানান, কামার শিল্পীদের দৈনিক মজুরি ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সরঞ্জাম।

 

 

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন